মীম ওই গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে। সে গ্রামের একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করতো।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নানা বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলো মীম। তার নানাবাড়িও একই গ্রামে। পরে বাড়িতে ফিরে না আসায় সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এরপর সন্ধ্যায় নবীনগর থানায় জিডি করে পরিবার।
পরে আজ বিকেলে বিদ্যাকুট বড়বাড়ির পুকুরপাড়ের ঝোঁপে মীমের অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এরই মধ্যে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।





