গতকাল (বুধবার, ৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পাবনা জজ কোর্টে সংবাদ সংগ্রহ শেষে বাড়ি ফেরার পথে লষ্করপুর টার্মিনাল সংলগ্ন একটি গেটের পাশে রিপনের চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক নবী নেওয়াজ টার্মিনাল এলাকার মহেন্দপুর এলাকার মৃত আবু সামা মিয়ার ছেলে। তিনি জিটিভির পাবনা জেলা প্রতিনিধি হিসেব কর্মরত। এছাড়া তিনি পাবনা সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জের ধরে মো. ইবাদ শেখ ওরফে ড্রাইভার ইবাদ, মো. আমিন উদ্দিন ও শ্রী মিলন গোবিন্দ চৌধুরীসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন তাকে ঘিরে গালিগালাজ করতে থাকেন। এর প্রতিবাদ করলে ইবাদ শেখ তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে মাথায় কোপ দেন। তিনি দুই হাত দিয়ে কোপটি ঠেকানোর চেষ্টা করলে হাতে আঘাত লাগে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে অভিযুক্তরা তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারধর করেন। এতে মাথার পেছনে, হাত, পিঠ, বুক, মুখ, গলা, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে।
আরও পড়ুন:
এসময় তার শার্টের পকেটে থাকা নগদ ২০০ টাকা ও প্রায় ১ হাজার ৮৫০ টাকা মূল্যের একটি হেডফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা আহত সাংবাদিককে উদ্ধার করে পাবনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. নবী নেওয়াজ বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে পাবনা সদর থানার ওসি অপারেশন নাহিরুল ইসলাম বলেন, ‘একটি লিখিত পাওয়া পেয়েছি। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এদিকে এ ধরনের নেক্কারজনক ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানিয়েছেন পাবনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি খাইরুল ইসলাম বাসিদ এবং সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।





