ঘটনার পর আজ (বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে তালা ভাঙা হলে তদন্ত কর্মকর্তারা উপাচার্যের কক্ষে প্রবেশ করে আলামত সংগ্রহ করেন।
এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম এখন স্বাভাবিক আছে বলে জানান রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. শাহ আলম।
আরএমপির মুখপাত্র জানান, গতকাল (বুধবার, ৭ অক্টোবর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে ঘটনাস্থলে তাদের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন:
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো— রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আলী আকবর হোসেন ও রাজশাহী মহানগর জিয়া মঞ্চের সিনিয়র সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দুলাল। আলী আকবর নগরীর বহরমপুর এলাকার আব্দুল হান্নানের ছেলে। আর দুলাল নগরীর বহরমপুর এলাকার আলিমুদ্দিন শেখের ছেলে।
এর আগে গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর আপামর ছাত্র জনতা ব্যানারে ৫০-৬০ জন ব্যক্তি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয় প্রবেশ করে। এসময় তারা আগে থেকে লিখে নিয়ে যাওয়া পদত্যাগপত্রে উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে।
এরপর উপাচার্যকে তার কার্যালয় থেকে বের করে দেয়া হয়। একই কায়দায় উপাচার্যের ব্যক্তিগত সচিব নাজমুল হাসান কেউ পদত্যাগ পত্রের স্বাক্ষর করানো হয়।
এদিকে এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই নগরীর রাজপাড়া থানায় একটি মামলা হয়। তবে মামলায় কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি।
এছাড়া মব সৃষ্টি করে উপাচার্যকে পদত্যাগ করানোর চেষ্টার অভিযোগে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বুধবার মানববন্ধন করেছেন মেডিকেল কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।





