ঝিনাইদহে উদ্ধার ১০৪টি মোবাইল ও এমএফএসের টাকা মালিকদের ফেরত দিলো পুলিশ

ঝিনাইদহ
উদ্ধার মোবাইল ও এমএফএসের টাকা মালিকদের ফেরত দিলো পুলিশ
এখন জনপদে
অপরাধ
0

​ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের মাধ্যমে উদ্ধার করা ১০৪টি মোবাইল ফোন এবং ভুলবশত এমএফএস (মোবাইল আর্থিক সেবা)-এর মাধ্যমে চলে যাওয়া ৫৩ হাজার ৪০৯ টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

​আজ (বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রকৃত প্রাপকদের হাতে এসব উদ্ধারকৃত ফোন ও টাকা তুলে দেন ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান।

​জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহে অনলাইনভিত্তিক অপরাধ দমন ও তথ্যপ্রযুক্তিগত সেবা নিশ্চিতে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কাজ করে আসছে। চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সাইবার সেলের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হারিয়ে যাওয়া এসব মোবাইল ও ভুলবশত চলে যাওয়া টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

​শুধু হারানো ফোন বা টাকা উদ্ধারই নয়, গত কয়েক মাসে বিভিন্ন জটিল অপরাধের রহস্য উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ঝিনাইদহ সাইবার সেল।

এর মধ্যে রয়েছে—মহেশপুরের আলোচিত ‘নিঝুম অপহরণ’ মামলার রহস্য উন্মোচন, কালীগঞ্জ ও কোটচাঁদপুরে দস্যুতার মামলায় অস্ত্র ও ছিনতাইকৃত মোবাইলসহ চার আসামিকে গ্রেপ্তার, সদর ও কালীগঞ্জ থানা এলাকা থেকে দুই ভিকটিম উদ্ধার ও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার।

আরও পড়ুন:

​এছাড়া গাজীপুরের ল্যাভেন্ডার গ্রুপের চেয়ারম্যানের (চীনা নাগরিক) এক কোটি টাকা চুরির মূল আসামিকে গ্রেপ্তারসহ ৮৭ লাখ টাকা উদ্ধার, কোটচাঁদপুরে কলেজ শিক্ষিকাকে অজ্ঞান করে ছিনতাইয়ের ঘটনায় অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্য গ্রেপ্তার এবং আলোচিত অর্পিতা হত্যা প্ররোচনা মামলার আসামিদেরও গ্রেপ্তার করে সাইবার সেল।

​পাশাপাশি, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো, টিকটক, টেলিগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাটের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় সাইবার বুলিংয়ের শিকার ৪০ জন ভিকটিমকে দ্রুত সহায়তা প্রদান এবং জিডির ভিত্তিতে নিখোঁজ হওয়া আরও আটজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

​হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ বিল্লাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. মোসফেকুর রহমানসহ সাইবার সেলের কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

​অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার বলেন, ‘সাইবার বুলিং, অনলাইন হয়রানি ও অপপ্রচার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ।’

এসএস