টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘পার্ক বাজার এলাকা থেকে বিপ্লবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হবে।’
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তাই সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর আগে, শনিবার শিশুটির বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
এদিকে শনিবার (৩১ অক্টোবর) গভীর রাতে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটিকে দেখে চিকিৎসার খোঁজখবর নেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এসময় তিনি শিশুটির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং উন্নত চিকিৎসার আশ্বাস দেন। প্রয়োজনে শিশুটিকে ঢাকায় নেয়ার ব্যবস্থা করার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি চিকিৎসার সব ব্যয়ভার বহনের দায়িত্ব নেন তিনি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে কথা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা যেন ভবিষ্যতে আর না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক আল আমিন সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মেডিকেল টিমের সদস্যরা যে আলামত পেয়েছে, তাতে বলা যায় শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। যৌনাঙ্গের পর্দা ছিড়ে গেছে। এছাড়াও নাক ফেটে গেছে। ঠোঁটে, নাকে ও মুখে একাধিক সেলাই করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রীয় কালীবাড়ীর চতুর্থ তলায় চীপসের লোভ দেখিয়ে ডেকে নিয়ে বিপ্লব ধর্ষণ করে। শিশুটি বাধা দিলে অভিযুক্ত ইট দিয়ে তার মুখ ও নাকে আঘাত করে। এতে শিশুটি গুরুতর আহত হয়। পরে এক রিকশাচালক তাকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এরপর শনিবার রাতে শিশুটির মা বাদি হয়ে অভিযুক্ত বিপ্লবের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার মামলা করেন।





