চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। ডেঙ্গু ওয়ার্ডগুলোতে গেলো মাসের তুলনায় রোগী বেড়েছে কয়েক গুণ। চাপ সামলাতে হিমসিম অবস্থা স্বাস্থ্যকর্মীদের।
জুন মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১২২ জন। চলতি মাসে তো পৌনে চার গুন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৭ জনে। এছাড়াও চলতি বছর আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ জন। যার মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছেন ২ জন।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, জুলাই মাসের আক্রান্ত গেলো দুই বছরের আক্রান্তের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে আক্রান্ত ছিল যথাক্রমে ১৯৮ ও ৪৩০। এমন পরিস্থিতিতে ডেঙ্গুর ভরা মৌসুম আগস্ট সেপ্টেম্বরে আক্রান্ত আরও বহুগুণে বাড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
চমেক হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ড মুখপাত্র ডা. নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘অল্প জ্বর নিয়েও অনেকসময় রোগীদের ওরিয়েন্টেশন লস হয়ে যায়। আমাদের কাছে অনেক রোগী আসছে। অনেকের স্মৃতিশক্তিও লস হয়ে যাচ্ছে।’
তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি আছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগের। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্নার ও ওয়ার্ড খোলার কথা জানিয়েছে তারা।
চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বী বলেন, ‘আমরা উপজেলা পর্যায়ে কাজ করেছি। আমরা সেখানে চিকিৎসার সব সরঞ্জাম নিশ্চিত করেছি। যেন বিনা কারণে আমাদের রোগীরা রেফার হয়ে অন্য হাসপাতালে না আসে।’
চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত নগরীর তুলনায় উপজেলাগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। আক্রান্তদের বেশিরভাগই পুরুষ।





