বিশ্বকাপ ঘিরে কানাডায় উৎসবের আমেজ, উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশি কমিউনিটি

সায়েন্স ওয়ার্ল্ডের আইকনিক ডোম
প্রবাস
0

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মাততে প্রস্তুত আয়োজক দেশ কানাডা। বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বিশ্বকাপ ঘিরে বিরাজ করছে আনন্দ উদ্দীপনা। এরই মধ্যে বড় পর্দায় খেলা দেখানোর আয়োজন করা হয়েছে। কেউ কেউ আবার যাচ্ছেন মাঠে বসেই খেলা উপভোগ করতে। তবে টিকিটের চড়া মূল্যে হতাশ অনেকেই।

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উঠার অপেক্ষায় আমেরিকা মহাদেশে। প্রথমবারের মতো তিন দেশ- কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করছে এই মহাযজ্ঞ। ৪৮ দলের অংশগ্রহণে ১০৪ ম্যাচের এ আসরকে বলা হচ্ছে ফিফার সবচেয়ে বড় সংস্করণ।

কানাডার জন্য এবারের বিশ্বকাপ শুধু আয়োজন নয়, স্বপ্নেরও মঞ্চ। ২০২২ সালে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে এলেও জয় পায়নি দলটি। তবে নিজেদের মাটিতে এইবার প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে কানাডা। পুরো আয়োজন নিয়েই রীতিমতো উচ্ছ্বসিত কানাডায় বসবাস করা বাংলাদেশিরা।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানান, এবারের কানাডার দল খুবই ব্যালেন্সড এবং শক্তিশালী। তাই তারা আশা করছেন কানাডা ভালো করবে।

টরন্টোর বিএমও ফিল্ড এবং ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস- এ দুই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ১৩টি ম্যাচ। টরন্টোতে কানাডার উদ্বোধনী ম্যাচকে ঘিরে এরই মধ্যেই সম্পন্ন প্রস্তুতি।

প্রবাসী এক বাংলাদেশি বলেন, ‘ছোটবেলায় যে ওয়ার্ল্ড কাপ আমরা টেলিভিশনের পর্দায় দেখতাম, সেই ওয়ার্ল্ড কাপ এখন আমি যে দেশের নাগরিক সেই দেশেই হচ্ছে—কানাডাতে। আমি খুবই আনন্দিত।’

অনেক স্থানেই বড় পর্দায় দেখানো হবে খেলা। কেউ কেউ আবার সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখার টিকিটও সংগ্রহ করেছেন। তবে টিকিটের উচ্চ মূল্য নিয়ে ফুটবল ভক্তদের মধ্যে কিছুটা অসন্তোষও দেখা গেছে। কোনো কোনো ম্যাচের টিকিটের দাম লাখ টাকা। তারপরও বিশ্বকাপের আবেগকে ছাপিয়ে যেতে পারেনি সেই অভিযোগ।

আরেকটি চমকপ্রদ তথ্য হলো- কানাডার ম্যাচগুলোকে ঘিরে টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারে হাজার হাজার আন্তর্জাতিক সমর্থকের আগমন ঘটছে। ফলে পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

জেআর