ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলতে দীর্ঘ দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের টার্গেট ছিল তেহরানের তেলশিল্পে। বছরের পর বছর ধরে ইরানের তেল না কিনতে বিদেশি দেশগুলোকে নিষেধাজ্ঞার চাপে রেখেছিল ওয়াশিংটন।
তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মাঝেই দেশটির তেল শিল্পের ওপর এক মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান, তেহরানের যেসব জ্বালানি বহনকারী জাহাজ আন্তর্জাতিক নৌসীমায় অবস্থান করছে সেগুলো নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত হবে। তার প্রত্যাশা, এর ফলে বিশ্ববাজারে ১৪ কোটি ব্যারেল তেল উন্মুক্ত হবে।
এছাড়াও চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়তে থাকায় এই সাময়িক সিদ্ধান্ত ভারত, জাপান ও মালয়েশিয়ার মতো অধিক তেল চাহিদা রয়েছে এমন দেশগুলোর জ্বালানি খাতকে সমৃদ্ধ করবে বলে মনে করেন বেসেন্ট।
আরও পড়ুন:
তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের অভিমত, এই সিদ্ধান্ত তেলের বাজারের মূল্যস্ফীতি কমাতে খুব বেশি সহায়ক হবে না। এছাড়াও তেল বিক্রি থেকে অর্জিত অর্থ তেহরানের কোষাগারে যাতে যোগ না হয় তা নিশ্চিতে ওয়াশিংটন চাপ অব্যাহত রাখবে বলেও মনে করেন বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন। এর বাইরেও ভারতসহ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে ইরানের তেলের চাহিদা আছে।
ইরান যুদ্ধের পর থেকেই বিশ্ববাজারে অস্থির তেলের দাম। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুসেডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। এ কারণে গেল সপ্তাহে রাশিয়ার তেলের ওপর থেকেও নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।





