ফের সংবাদ উপস্থাপকের কণ্ঠে ইরানি নেতার মৃত্যুর খবর। ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবির পর, ইরান নিশ্চিত করল হামলায় প্রাণ গেছে নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি, উপ-প্রধান আলী বাতেনিও বাসিজ বাহিনী প্রধান গোলামরেজা সোলাইমানির। প্রাণ হারিয়েছেন লারিজানির ছেলেও।
হত্যার প্রতিশোধ নিতে গতকাল (মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ) দিবাগত রাতে মুহুর্মুহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। ক্লাস্টার বোমা, শাহেদ ড্রোন, খোরামশাহর মতো বিধ্বংসী মারণাস্ত্রের আঘাতে রাতভর কেঁপে ওঠে তেল- আবিব, অধিকৃত জেরুজালেম, রামাত গান ও বেনি ব্রাক শহর। হামলায় প্রাণহানির পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া গেছে। ইসরাইলের শতাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে আইডিএফ।
আরও পড়ুন:
গতকাল (মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ) কয়েক দফা হামলার পাশাপাশি বুধবারও বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ইরাকের বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস। এছাড়াও, সৌদি প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি, কুয়েত ও আমিরাতে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। সৌদির আল-খারিজে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত বাংলাদেশি আব্দুল্লাহ আল মামুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
এদিকে, ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক আণবিক সংস্থা। যদিও এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, লেবাননেও হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে ইসরাইল। বাড়ছে প্রাণহানি।
শীর্ষ নেতাদের হত্যা করে ইরানের সরকারের ভিত্তি ভাঙা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আর লারিজানির হত্যার চূড়ান্ত প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সামরিক প্রধান।
অন্যদিকে, হরমুজের সুরক্ষায় ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সহায়তার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। আর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানি উপকূলে অবস্থিত ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোতে ৫ হাজার পাউন্ড বোমা ফেলা হয়েছে।





