এবার ইরানের জাতীয় প্রতিরক্ষা কাউন্সিল এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের উপকূল বা দ্বীপে হামলার যেকোনো চেষ্টা হলে ‘পারস্য উপসাগরের সব যোগাযোগপথে মাইন পেতে রাখা হবে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই জলপথ দিয়ে চলাচলের একমাত্র উপায় হলো—যুদ্ধে জড়িত নয় এমন দেশগুলোকে ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চলতে হবে।’
আরও পড়ুন:
ট্রাম্প খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার ধারণা বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে। উপসাগরের উত্তরাংশে ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ১৫ মাইল বা ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই দ্বীপে তেল সংরক্ষণ ট্যাংক ও তেল পাম্পিং সুবিধা রয়েছে। ইরানের তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশের সঙ্গে এই দ্বীপের স্থাপনাগুলো জড়িত।




