মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি শুরুর পর থেকে আনুমানিক ৩০৩ জন মার্কিন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। এদের বেশির ভাগের আঘাত ছিল সামান্য, এবং ২৭৩ জন দায়িত্বে ফিরেছেন।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, ১০ জন মার্কিন সেনা এখনও গুরুতর আহত অবস্থায় আছেন।
এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আহতদের বেশির ভাগই ইরানের একমুখী আক্রমণ ড্রোন এবং বিস্ফোরক অস্ত্রের কারণে আহত হয়েছেন। কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় অনেক সেনা আহত হন। এক মার্কিন কর্মকর্তা এবিসি নিউজকে বলেন, ‘আহতদের বড় অংশের আঘাত ছিল মস্তিষ্কে আঘাতজনিত।’ সেন্ট্রাল কমান্ডের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধে ১৩ জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন:
প্রতিবেদনে বলা হয়, পশ্চিম ইরাকে একটি মার্কিন সামরিক রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ছয়জন ক্রু নিহত হন। এছাড়া কুয়েতের একটি বেসামরিক বন্দরে একটি অপারেশন সেন্টারে ইরানের ড্রোন হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হন। সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে হামলায় আহত হওয়ার পর আরও একজন মার্কিন সেনাসদস্য মারা যান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ হামলা শুরু করার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ ১ হাজার ৩৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
এর জবাবে তেহরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদ থাকা দেশগুলোকে লক্ষ্য করেছে। এতে হতাহত ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে।





