ভালিউল্লাহ হায়াতি বলেন, ‘বন্দর ইমাম পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানিও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।’ তিনি এই দুই স্থাপনায় হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে অভিযুক্ত করেছেন। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো হায়াতিকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, হামলার পর এখন পর্যন্ত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
দুই স্থাপনাই ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পের অংশ। তেল ও গ্যাস থেকে উৎপাদিত পণ্য তৈরি করে এগুলো। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত এ দুটি স্থাপনা পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদন ও পারস্য উপসাগর হয়ে রপ্তানিরও কেন্দ্র।
পেট্রোকেমিক্যাল স্পেশাল ইকোনমিক জোন অর্গানাইজেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বিবিসিকে বলেছে, তারা সাধারণভাবে পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করবে না।





