বৈঠকে আব্বাস আরাঘচি বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং শান্তি প্রচেষ্টার বিষয়ে ‘ইরানের দৃষ্টিভঙ্গি’ সুলতানকে অবহিত করেন। জবাবে সুলতান হাইথাম একটি টেকসই রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর উপায় নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন। তিনি মনে করেন, আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান করা গেলে অঞ্চলের সাধারণ মানুষের ওপর যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
সুলতান দৃঢ়ভাবে বলেন, ‘যেকোনো সমস্যা সমাধানে আলোচনার ভাষা এবং কূটনীতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত, যা দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।’
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমান চ্যালেঞ্জিং সময়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় ওমানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করেন। তেহরানের পক্ষ থেকে তিনি ওমানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ওমান দীর্ঘদিন ধরেই ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে দূতিয়ালীর কাজ করে আসছে। পাকিস্তান ও ওমানের এই সমন্বিত উদ্যোগগুলো মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।





