গত কয়েক মাস ধরে ইরান যুদ্ধ এবং অভ্যন্তরীণ নানা বিষয়ে ট্রাম্পের মনোযোগ থাকলেও এখন তার অগ্রাধিকারের তালিকায় ওপরের দিকে রয়েছে চীন। এই সফরে তাইওয়ান সংকট, বিশ্ব বাণিজ্য এবং উন্নত প্রযুক্তির প্রতিযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনার টেবিলে থাকবে।
বর্তমানে ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি চীনের অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। উৎপাদন খরচ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় বেইজিং এই যুদ্ধের অবসান চায়। এ লক্ষ্যে পাকিস্তান ও চীন মিলে একটি পাঁচ দফা শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও মনে করছে, ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরাতে চীনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থানে কিছুটা অস্পষ্টতা থাকলেও বেইজিং বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এর আগে তাইওয়ানের সঙ্গে ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তিতে চীন ক্ষুব্ধ হলেও ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা নিয়ে খুব একটা আগ্রহী নন। তিনি মনে করেন, তাইওয়ান মার্কিন নিরাপত্তার বিনিময়ে পর্যাপ্ত অর্থ দেয় না।
এছাড়া বাণিজ্য যুদ্ধে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, এই সফরে তা নিরসনের পথ খোঁজা হবে। বিশেষ করে মার্কিন কৃষি পণ্য আমদানি বাড়ানো এবং চীনের ব্যবসায়িক নীতির ওপর থেকে মার্কিন তদন্ত প্রত্যাহারের মতো বিষয়গুলো আলোচনায় প্রাধান্য পাবে। এই বৈঠকের ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সহযোগিতা নাকি সংঘাত বাড়বে।





