ট্রাম্প লিখেছেন, কিউবা একটি ব্যর্থ দেশ এবং এটি কেবল পতনের দিকেই যাচ্ছে। দেশটি এখন সাহায্য চাইছে এবং এ বিষয়ে ওয়াশিংটন তাদের সঙ্গে কথা বলবে। তবে কিউবা নিয়ে কোনো রিপাবলিকান নেতা এখন পর্যন্ত তার সঙ্গে কথা বলেননি বলে জানান তিনি। বর্তমানে চীন সফরে থাকা ট্রাম্প দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কিউবা নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান লক্ষ করা গেছে। তিনি ইতিমধ্যে দ্বীপরাষ্ট্রটির ওপর তেল অবরোধের নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকি ট্রুথ সোশ্যালে এমন একটি বার্তা শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একটি ‘মুক্ত হাভানা’ সফরের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
চলতি মাসের শুরুর দিকে ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই এই ক্যারিবীয় দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছে। ভেনেজুয়েলার দীর্ঘদিনের নেতা নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার সামরিক অভিযানের পর কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে বলেও তিনি আভাস দিয়েছিলেন।
ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে যে, ক্যারিবীয় ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন প্রভাব বাড়াতে কিউবা সরকারের ওপর চাপ বৃদ্ধি করতে চাইছেন ট্রাম্প। ষাটের দশক থেকে কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বৈরী সম্পর্ক চলে আসছে। উল্লেখ্য, কিউবা থেকে মাত্র ৯০ মাইল দূরে ফ্লোরিডায় কিউবান নির্বাসিতদের একটি বড় ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠী বাস করে।





