বিমানে অবতরণের পর ট্রাম্পকে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানানো হয়। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। এছাড়া চীনের তিনশ জন খুদে শিক্ষার্থী পতাকা হাতে এবং সামরিক বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার দিয়ে তাকে বরণ করে নেয়। ট্রাম্পের সঙ্গে এই সফরে অ্যাপল সিইও টিম কুক ও ইলন মাস্কসহ এক ডজন ব্যবসায়িক নেতা এবং শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা রয়েছেন।
সফরের মূল আকর্ষণ বৃহস্পতিবার সকালে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক। সেখানে প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং তাইওয়ান ইস্যুর মতো জটিল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে।
বিশেষ করে ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ এবং এর ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের ছায়া এই সফরে স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র চীনকে ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়া এবং একটি টেকসই শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে শি জিনপিংকে চাপ দিতে পারেন ট্রাম্প।
বাণিজ্যিক দ্বন্দ্ব ছাপিয়ে দুই নেতার এই বৈঠক বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব।





