শুনানির সময় ৭৭ বছর বয়সী বোল্টন বিচারক থিওডোর ডি চুয়াংকে বলেন, ‘আমি এই কাজের জন্য দুঃখিত।’ প্রসিকিউটরদের সঙ্গে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী, বোল্টনকে ২২ লাখ ৫০ হাজার ডলার জরিমানা দিতে হবে। এছাড়া তাকে ১০০ ঘণ্টা কমিউনিটি সার্ভিস বা জনসেবামূলক কাজ করতে হবে এবং গোয়েন্দা ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হতে হবে। একই সঙ্গে তিনি তার সরকারি পেনশন সুবিধাও হারাবেন।
বোল্টনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি তার স্মৃতিকথা লেখার জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও শ্রেণিবদ্ধ তথ্য তার দুই আত্মীয়ের সঙ্গে শেয়ার করেছিলেন। এসব তথ্যের মধ্যে গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ের নোট এবং বিদেশি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের বিবরণসহ এক হাজারেরও বেশি ডায়েরির পাতা ছিল। তবে প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, বোল্টনের প্রকাশিত বই ‘দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড’-এ কোনো গোপন তথ্য শেষ পর্যন্ত ছাপা হয়নি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বোল্টনের ব্যক্তিগত ইমেইল হ্যাক করা হয়েছিল এবং এর পেছনে ইরানের যোগসাজশ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মেরিল্যান্ডের ইউএস অ্যাটর্নি কেলি ও হেইস বলেন, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে গোপন তথ্য রাখা কতটা বিপজ্জনক, এটি তারই প্রমাণ। বোল্টন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছেন।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করা বোল্টন পরে তার কট্টর বিরোধী হয়ে ওঠেন এবং ট্রাম্পকে অযোগ্য বলে ঘোষণা করেন। ২০২৫ সালে ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার আগেই এই তদন্ত শুরু হয়েছিল। আগামী ২৮ অক্টোবর তার সাজা ঘোষণা করবেন আদালত।





