ইরানের নতুন নেতৃত্ব এই আয়োজনের মাধ্যমে ঐক্য ও শক্তির প্রদর্শনী তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। যুদ্ধের প্রথম প্রহরেই নিহত এই সর্বোচ্চ নেতা যে শুধু ইরানের জন্যই নয়, বরং বৃহত্তর শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ, সেটিও তুলে ধরতে চেয়েছে তারা।
শোকযাত্রার প্রতিটি স্টপেই বিশাল জনসমাগম দেখা গেছে। শোকার্ত মানুষের ভিড়ে বারবার গতি হারিয়েছে শোকযাত্রা। ইরানের পবিত্রতম শহর ও খামেনির জন্মস্থান মাশহাদেও আজ একই দৃশ্যের দেখা গেছে।
ইরান আশা করেছিল, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) কারণে এই শেষকৃত্যের আয়োজন যুদ্ধের ছায়ামুক্ত থাকবে। কিন্তু ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এবং অস্পষ্ট শব্দে লেখা এই চুক্তিটি উভয় পক্ষ ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করায় সেই ঝুঁকি বরাবরই ছিল।
বর্তমানে ইরান তথা পুরো অঞ্চলজুড়ে চলছে ‘যুদ্ধও নয়, শান্তিও নয়’ এমন এক অচলাবস্থা। মাঝেমধ্যেই পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষায়, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিরতি বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের যুদ্ধবিরতির চেয়ে ভিন্ন।





