ইরানি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, তেল বিক্রি কমে যাওয়ার ফলে রাষ্ট্রীয় রাজস্ব হ্রাস এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়াই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ। তার ভাষ্য, আগে আমদানি করা পণ্য সরাসরি পথ ধরে ইরানে পৌঁছাত। কিন্তু এখন সেগুলো বিকল্প পথে দেশে আসছে, যা পণ্যের চূড়ান্ত দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের আয় কমে গেছে। আগে আমরা তেল বিক্রি করতাম, কিন্তু এখন আমরা তা বিক্রি করতে পারছি না।’ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধের সময় দেশের শিল্পস্থাপনার ক্ষতি অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অবনতির দিকে ঠেলে দিয়েছে বলেও যোগ করেন তিনি।
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘তারা প্রচুর সংখ্যক কারখানাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং ধ্বংস করেছে। এই ক্ষতির প্রভাব কর রাজস্বের ওপরও পড়েছে। আমরা আর কারখানাগুলো থেকে কর আদায় করতে পারছি না। শুধু তা-ই নয়, কারখানাগুলো যাতে চালু রাখতে পারে সে জন্য আমাদের তহবিলও সরবরাহ করতে হচ্ছে। আমাদের সংকট বহুগুণ বেড়ে গেছে, একই সঙ্গে আমাদের আয়ও কমেছে।’





