নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি লেবাননে অপহৃত ও নিহত ইহুদি নেতাদের দেহাবশেষ উদ্ধারে দেশটির সঙ্গে চলমান সমঝোতা আলোচনার অংশ হিসেবেই তাদের মুক্তি দেয়া হচ্ছে। দেহাবশেষগুলোর অবস্থান শনাক্ত করতে দুই দেশ সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যৌথ তৎপরতার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে অভিযানও চালিয়েছে।
মুক্তি দেয়া পাঁচজনের মধ্যে মালিক কামাল গাজিকে ইতোমধ্যে মুক্তি দেয়া হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে লেবাননের একটি নিরাপত্তা সূত্র ও বন্দি কমিশনের এক কর্মকর্তা। ২০২৫ সালের অক্টোবরে আটক হওয়া গাজিকে রেড ক্রসের মাধ্যমে নাকোরা সীমান্ত ক্রসিংয়ে লেবানন কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করা হয়।
সূত্র দুটি গাজির সঙ্গে হিজবুল্লাহর সম্পৃক্ততার খবর নাকচ করে জানায়, বাকি যে চারজনকে মুক্তি দেয়া হবে তারাও সাধারণ বেসামরিক নাগরিক। তারা আরও জানান, ইসরাইলে এখনও ৩৫ জন লেবানিজ বন্দি রয়েছেন, যাদের মধ্যে ২০ জনই বেসামরিক।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত জুনে একটি রূপরেখা চুক্তিতে সই করে ইসরাইল ও লেবানন। চুক্তিতে উভয় পক্ষের বন্দিবিনিময় এবং নিহতদের দেহাবশেষ শনাক্ত ও ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত ছিল। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবানন থেকে ক্রমান্বয়ে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং সেখানে লেবানিজ সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়। তবে ওই অঞ্চলে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর অস্ত্র সমর্পণের যে শর্ত রাখা হয়েছে, তা প্রত্যাখ্যান করেছে গোষ্ঠীটি।





