মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের ২ মার্চের পর থেকেই তীব্রতর হওয়া ইসরাইলি হামলায় ৪ হাজার ৩৫৮ জন নিহত এবং ১২ হাজার ৩৫৯ জন আহত হন। এ সময়কালে অ্যাম্বুলেন্স বহরে ইসরাইলি বাহিনী ১৭৯টি হামলা চালিয়েছে, যাতে নিহত হয়েছেন ১৩৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী। এদিকে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি আগ্রাসনের মুখে লেবাননে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৬০ হাজারে দাঁড়িয়েছে।
গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের আগ্রাসন ও সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। তবে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের শর্তযুক্ত চুক্তিটিকে ‘বাতিল ও অকার্যকর’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন দলটির নেতা নাঈম কাশেম। তিনি আগে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের সামরিক দখলদারত্ব অবসানের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে দক্ষিণ লেবাননে বিমান ও কামান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী। গত শুক্রবার কাফার রেমান শহরে বিমান হামলায় তিনজন নিহত ও ২৩ জন আহত হন। এছাড়া টায়ার ও নাবাতিয়েহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়। আজ রোববার ভোরেও দক্ষিণ লেবাননের জাওতার আল-শারকিয়াহ এলাকায় নতুন করে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি যুদ্ধবিমান।





