মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ‘সংঘাতের নিয়ম এখন বদলে গেছে। ইরানের নিরাপত্তা বা স্বার্থে যেকোনো আঘাতের জবাবে আরও দ্রুত, কঠোর ও যন্ত্রণাদায়ক প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।’ তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে বুঝতে হবে যে সমানুপাতিক জবাব দেয়ার যুগ শেষ হয়ে গেছে।’ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সাম্প্রতিক হামলাগুলো কেবল শুরু বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে গালিবাফ জানান, মুদ্রার বিনিময় হার, মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্বের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বন্দ্বে অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও বাহ্যিক প্রতিরোধ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।’ এসব দুর্বল করে এমন যেকোনো বক্তব্য বা পদক্ষেপ দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনির নির্দেশনার পরিপন্থি হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, মার্কিন বাহিনীর দুটি জাহাজে আঘাত করা হলে তিনটি জাহাজ ধ্বংস করে ইরানের ওপর আরও বড় অর্থনৈতিক ক্ষতি চাপিয়ে দেয়া হবে। সেন্টকমের দাবি, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানের তিনটি তেলের ট্যাংকারে হামলা চালিয়ে তা বিকল করে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী।





