পররাষ্ট্র দপ্তরের (এফসিডিও) স্থায়ী সচিব হিসেবে লিন্ডির নিয়োগটি এমন এক সময়ে এল যখন ব্রিটিশ সিভিল সার্ভিসের শীর্ষ পর্যায়ে বেশ কিছু রদবদল চলছে। লিন্ডি এর আগে ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের প্রধান নির্বাহী এবং নর্দান আয়ারল্যান্ড অফিস ও সাবেক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন দপ্তরে জ্যেষ্ঠ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড লিন্ডির অভিজ্ঞতার প্রশংসা করে বলেন, কূটনীতি, উন্নয়ন ও জাতীয় নিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই লিন্ডি ক্যামেরনের বিশাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তার নেতৃত্ব প্রশংসিত হয়েছে। তার নেতৃত্বে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর ব্রিটেনের মূল্যবোধ ও স্বার্থ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।
ক্যাবিনেট সচিব আন্তোনিয়া রোমিও লিন্ডির নিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিরাপত্তা ও কূটনীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উন্নয়নেও তার ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে।
তবে লিন্ডিকে এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিতে হচ্ছে যখন কিয়ার স্টারমার সরকারের সহায়তা বাজেট কমানোর সিদ্ধান্তে পররাষ্ট্র দপ্তরে অস্থিরতা চলছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকার জেরে ম্যান্ডেলসন নিরাপত্তা ছাড়পত্র (ভেটিং) পেতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। কিন্তু তথ্য গোপন করে তাকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত থাকায় ওলি রবিনসকে বরখাস্ত করেন স্টারমার।
দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের প্রক্রিয়ার সময় ম্যান্ডেলসন নিরাপত্তা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছিলেন। সেই তথ্য প্রধানমন্ত্রী স্টারমারকে পুরোপুরি না দেয়ায় ওলি রবিনসকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।





