প্রতিবেদনে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমানে কার্যকর এবং নির্মাণাধীন উভয় ধরনের রপ্তানি প্রকল্প থেকে এলএনজি নেয়ার বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। সংঘাত শুরুর পর এটিই প্রথম ইঙ্গিত যে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে নিজেদের এলএনজি পোর্টফোলিও বাড়াতে এবং গ্রাহকদের জন্য বিকল্প উৎস নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে দোহা।
বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ একা পূরণ করত কাতার। কিন্তু হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা এবং সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে দোহার জাহাজ চলাচল প্রায় পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এর আগে সংঘাতের শুরুর দিকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এলএনজি প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র রাস লাফান কমপ্লেক্স একটি ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার পূর্ণাঙ্গ মেরামত কাজ শেষ হতে তিন থেকে পাঁচ বছর লেগে যেতে পারে।
যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায় কাতার এখন তাদের এলএনজি বাণিজ্য কার্যক্রম জোরদার করার দিকে নজর দিয়েছে। টেক্সাসে অবস্থিত গোল্ডেন পাস এলএনজি টার্মিনালে আংশিক মালিকানা থাকার কারণে ওয়াশিংটনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে কিছুটা মার্কিন এলএনজি হস্তান্তরের সুযোগ পাচ্ছে দোহা। নতুন করে মার্কিন সরবরাহকারীদের কাছ থেকে গ্যাস কেনা সম্ভব হলে তা বৈশ্বিক কাতার এনার্জি ট্রেডিংকে সংকট কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে।





