হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গনে ঢুকতে গিয়ে জানতে পারলেন বাজেয়াপ্ত হয়েছে প্রেস পাস। হোয়াইট হাউস প্রেস অফিসে কাছেও মিললো না কোনো ব্যাখ্যা। অবশেষে হোয়াইট হাউসের বাইরে দাঁড়িয়ে প্রতিবেদন পেশ করলেন সিএনএন ও এমএস নাওয়ের গণমাধ্যমকর্মীরা। সরাসরি সম্প্রচারে যুক্ত হয়ে জানালেন, স্বাধীন গণমাধ্যমের যুগেও কীভাবে সংবাদকর্মীদের কণ্ঠ চেপে ধরে প্রশাসন।
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভুয়া খবর প্রকাশের অভিযোগ এনে শুক্রবার ৩ গণমাধ্যম— সিএনএন, পলিটিকো এবং এমএস নাও-এর সংবাদকর্মীদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার বাতিল করেন ট্রাম্প।
সংবিধানে রক্ষিত মৌলিক অধিকারকে এভাবে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েও ক্ষান্ত হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট, হুমকি দিয়েছেন ভুয়া তথ্য ছড়ালে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যোগ হবে আরও অনেক মিডিয়া।
আরও পড়ুন:
প্রেসিডেন্টের স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়া পাড়ায়। নিন্দা জানিয়েছে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন। ক্ষতিগ্রস্ত মিডিয়া আউটলেটগুলোর অভিযোগ— ব্যক্তিগত ক্ষোভের প্রতিশোধ নিচ্ছেন ট্রাম্প।
আর বিশ্লেষকদের শঙ্কা, এরপরে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে যেকোনো সমালোচনা বা স্বাধীন মতামত প্রকাশ করতে ভয় পাবে গণমাধ্যমগুলো।
এখানেই শেষ নয়, ট্রাম্পের এমন আচরণের সঙ্গে জড়িত আছে সংবিধান অবমাননা আর ক্ষমতার অপব্যবহার প্রসঙ্গও। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী নাগরিকদের পাঁচটি মৌলিক স্বাধীনতা বা অধিকার রক্ষা করে।
এর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পয়েন্টেই আছে, নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা আর সরকারের সেন্সরশিপ বা বাধা ছাড়া সংবাদ প্রকাশের অধিকার প্রসঙ্গ। অধিকাংশ গণমাধ্যমকর্মীদের সরাসরি অভিযোগ, ট্রাম্প কীভাবে সংবিধানে বর্ণিত অধিকার কেড়ে নিতে পারেন?
আর আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজস্ব পদাধিকারে ওভাল অফিসে কে ঢুকবে আর কে ঢুকতে পারবে না, সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার অনানুষ্ঠানিক ক্ষমতা থাকলেও, হোয়াইট হাউসে প্রবেশে বিধিনিষেধ জারি ট্রাম্পের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না।





