সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইরানে বড় ধরনের নতুন হামলার হুমকি দেয়া হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এর মধ্যেই আজ মঙ্গলবার সকালে মার্কিন গণমাধ্যমে হরমুজ প্রণালির একটি ইরানি দ্বীপে ওয়াশিংটনের সীমিত হামলার খবর প্রকাশিত হয়। ইরানি গণমাধ্যমেও সেখানে পরপর পাঁচটি বিস্ফোরণের তথ্য জানানো হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সাংবাদিকদের বলেন, ‘উভয় পক্ষই আলোচনার প্রক্রিয়ার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে। আমরা তাদের মধ্যে সরাসরি প্রস্তাব বিনিময়ের কাজ এগিয়ে নিচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখনো আশাবাদী যে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে।’ দোহা একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে বলে জানান তিনি।
এর আগে গতকাল সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছিলেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘খুব নিবিড়’ আলোচনা চলছে। ওই দিনই কাতারের একটি মধ্যস্থতাকারী প্রতিনিধিদল তেহরানে তিন ঘণ্টার বেশি সময় বৈঠক শেষে দোহায় ফিরে আসে। তবে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা এই শান্তি আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত ও জটিল করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন মাজেদ আল-আনসারি।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং ইসরাইলের জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও তেল আবিব ইরানের প্রতি হুমকি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে দেয়। তবে ইসরাইলের ওই নির্বাচনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন।





