এ যেন এক বিধ্বস্ত নগরী। শহরজুড়েই ধ্বংসস্তূপ। ফ্রান্সে গণবিক্ষোভের চিত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন স্থানে। সবশেষ বিক্ষোভে দেশজুড়ে অংশ নেন কয়েক লাখ মানুষ। বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে আটক করা হয় ১৩০০—এর বেশি মানুষকে।
অধিকাংশ জায়গায় বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও প্যারিসসহ বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। মার্সেইয়ে বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেডে ধরিয়ে দেয়া হয় আগুন।
আরও পড়ুন:
বেতন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সরকারি সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন শিক্ষার্থীদের গণ্ডি ছাড়িয়ে ছড়িয়েছে শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যেও। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আগামী ৩১ অক্টোবর, আবারও রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছেন শ্রমিকনেতারা। একইসঙ্গে ৫ নভেম্বর দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তারা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে শ্রমিক সংগঠন ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে ম্যাক্রোঁ প্রশাসন আলোচনা শুরু করলেও আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকার এখন পর্যন্ত যেসব পদক্ষেপের প্রস্তাব দিয়েছে, তা তাদের দাবি পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়।
এদিকে গেল শনিবারের বিক্ষোভ থেকে ১ হাজার ৩১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আহত হয়েছেন অর্ধশত পুলিশ সদস্য। শুধু ফ্রান্সই নয়, বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস, আলবেনিয়া ও ইতালির কয়েকটি শহরেও চলছে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ।





