দিন যত গড়াচ্ছে, ততই হামলা-পাল্টা হামলার মাত্রা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান। জর্ডান ও ইরাকে ৩ মার্কিন সেনা নিহতের প্রতিশোধ নিতে রোববার বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালের মধ্যেই ইরানের একাধিক শহরের আকাশে কাঁপন ধরায় যুক্তরাষ্ট্রের ছোঁড়া অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র।
এক বিবৃতিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড দাবি করে হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের সামরিক বাহিনীর কমান্ড সেন্টার, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র। হামলা হয়েছে ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমের নির্মাণাধীন দারখোভিন পারমাণবিক কেন্দ্রেও। পরে নতুন দফা হামলার বিষয়ে কথা বলেন ট্রাম্প নিজেও।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘রাতে ইরানে ফের কঠোর আঘাত হানা হয়েছে। মূলত যুদ্ধের ময়দানে নিহত ৩ মার্কিন সেনার হত্যার প্রতিশোধেই ইরানে নতুন দফায় হামলা।’
তবে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সমুচিত জবাব দিয়ে যাচ্ছে ইরানও। কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটতে হামলা চালিয়ে রাডার সিস্টেম, এমকিউ নাইন মডেলের ড্রোন ও বিমান সরঞ্জাম ডিপো ধ্বংসের দাবি করেছে তেহরান। এছাড়াও, জর্ডানের আকাবা বিমানবন্দরে মার্কিন দুটি পরিবহন বিমান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের দাবি আইআরজিসির। বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে বাহরাইনেও।
এদিকে, হামলার মাত্রা বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে উত্তেজনা প্রশমনে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে আরব লীগ। এক বিবৃতিতে জোটের মহাসচিব নাবিল ফাহমি জানান, চলমান সহিংসতা শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, অস্থিতিশীল করে তুলে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে।
আর যুক্তরাষ্ট্র- ইরান হামলা- পাল্টা হামলার জেরে বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানির বাজার। ৩ শতাংশ বেড়ে অপরিশোধিত জ্বালানির ব্যারেলপ্রতি দাম ৯০ ডলার ছাড়িয়েছে।





