ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ নারীকে কারাদণ্ড

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা
এখন জনপদে
আইন ও আদালত
0

ময়মনসিংহের চাঞ্চল্যকর রুমডো পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী শাহিনুর আলম ইকবাল (১৯) হত্যা মামলায় নয়জন আসামির মধ্যে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুইজন নারীকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ময়মনসিংহ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. জাকির হোসেন।

আজ (মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল) বিকেলে আদালতে এ রায় প্রদান করা হয়। রায় ঘোষণার পর এজলাস থেকে বেড়োনোর সময় উত্তপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয় আসামিরা।

রায় শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী ড. মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ২০২১ সালে ৩১ মে রাতে পূর্ব বিরোধের জেরে ময়মনসিংহের তারাকান্দার মুদি ব্যবসায়ী আব্দুর রউফের ছেলে শাহীনুর আলম ইকবালকে (১৯) হত্যা করে পরিত্যক্ত সেফটিক ট্যাঙ্কে পুতে রাখে।

জন মানুষের সন্দেহ দূর করার জন্য তার ওপর মরা শিয়াল ও গোবর ফেলে গাছ লাগিয়ে যায় হত্যাকারীরা। পরে নিখোঁজ ইকবালকে খোঁজাখুঁজির পর পাওয়া না গেলে বড় ভাই সেলিম মিয়া বাদী হয়ে তারাকান্দা থানায় সাধারণ ডায়েরি করে।

আরও পড়ুন:

ঘটনার পাঁচ দিন পর মৃত দুর্গন্ধে সন্দেহ হলে অভিযুক্তদের বাড়ির পাশে সেফটিক ট্যাঙ্ক থেকে ইকবালের অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে পুলিশ রিপোর্ট প্রদানের পর বিজ্ঞ বিচারক আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দী ও জেরা পর্যালোচনা করে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ রায় ঘোষণা করে। রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বিচার বিভাগসহ আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা জড়িত ছিলো তাদের ধন্যবাদ জানান ভিকটিমের পরিবার।

ময়মনসিংহ পাবলিক প্রসিকিউটর (পি.পি) অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার আজিজ টুটুল এখন টিভিকে বলেন, ‘আজকের এই রায়ে সাতজনের ফাঁসির আদেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে ভিকটিমের পরিবার। এছাড়া বাকি দুই নারীকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে আদালতের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা যেমন বাড়বে তেমনি হত্যার মতো অপরাধগুলো সমাজ থেকে কমে আসবে বলে মনে করি।’

এসএস