চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ আনে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী। এ অভিযোগ আমলে নিয়ে শুনানি করে রিটার্নিং কর্মকর্তা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে। পরে হাইকোর্টেও আপিল করেন জামায়াতের ওই প্রার্থী। হাইকোর্টও আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতার পক্ষে আদেশ দেন।
উচ্চ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন জামায়াতের প্রার্থী। আপিল বিভাগ ৩ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন যে নির্বাচন শেষে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা হবে। তবে ফলাফল স্থগিত রাখার আদেশ দেন। গেলো ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ভোটে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। তবে মামলা বিচারাধীন থাকায় চার মাসেও শপথ নিতে পারেননি৷
আজ (মঙ্গলবার, ৩০ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ আবেদন নিষ্পত্তি করে জানিয়ে দেন আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না। ঋণখেলাপি প্রমাণিত হওয়ায় প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘পূর্ণাঙ্গ রায়ের পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে নতুন করে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে আসলাম চৌধুরীই বিএনপির প্রার্থী হবেন।’
রায়ে প্রমাণ হলো ঋণখেলাপিরা সংসদ সদস্য থাকতে পারবেন না। দ্বিতীয় ব্যক্তি বিজয়ী হবেন কি না, তা পূর্ণাঙ্গ রায়ে জানা যাবে।
চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের নির্বাচনি ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধেও ঋণখেলাপির অভিযোগ রয়েছে। যা আপিল বিভাগে নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।





