বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কমান্ড সেফটি সেমিনার অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজার কে ‘আন্তঃঘাঁটি ফ্লাইট সেফটি ট্রফি’ প্রদান
দেশে এখন
0

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কমান্ড সেফটি সেমিনার-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (সোমবার, ৫ মে) তেজগাঁওস্থ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশারের ফ্যালকন হলে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সেমিনারে ২০২৪ সালের বিমান উড্ডয়নের কার্যক্রম এবং উড্ডয়ন সংক্রান্ত সকল ঘটনার বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, বিবিপি, ওএসপি, জিইউপি, এনএসডব্লিউসি, পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং ফ্লাইট সেফটি ট্রফি বিতরণ করেন।

বক্তব্যে তিনি মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন এবং বিমান বাহিনীর সদস্যদের কঠোর পরিশ্রম এবং পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন, যার ফলস্বরূপ ২৩ হাজার ২৬ ঘণ্টা নিরাপদ উড্ডয়ন সম্ভব হয়েছে- যা বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কার্যক্রমের সাফল্য এবং নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি সেমিনারের মূল উদ্দেশ্যের প্রশংসা করেন এবং উল্লেখ করেন যে এটি বিমানবাহিনীর অভিজ্ঞ সদস্যদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি মূল্যবান প্লাটফর্ম, যা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং উড্ডয়ন নিরাপত্তা উন্নয়নে সহায়তা করে।

তিনি উপস্থিত সকল এয়ারক্রু, টেকনিশিয়ান, কন্ট্রোলারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিবিড় তত্ত্বাবধানে বাড়ানোর পাশাপাশি অতীত অভিজ্ঞতালব্ধ ব্যবহারিক জ্ঞানের সফল প্রয়োগ ও উড্ডয়ন নিরাপত্তা প্রক্রিয়াসমূহ কঠোরভাবে অনুসরণের আহবান জানান।

বক্তব্য শেষে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী যেকোনো সময় আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সর্বদা প্রস্তুত।

উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাতিসংঘ মিশন রোটেশন ফ্লাইট, যুক্তরাজ্য এবং চেক রিপাবলিকের জন্য ফেরি ফ্লাইট, র‌্যাপেলিং এবং ফাস্ট রোপিং, প্যারা ট্রুপিং, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য মেডিকেল ইভাকুয়েশন, বিভিন্ন ভিভিআইপি ফ্লাইট, পুনরুদ্ধার এবং ফেনী বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছে।

সবশেষে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজার কে ‘আন্তঃঘাঁটি ফ্লাইট সেফটি ট্রফি’ এবং ৫ নং বহরকে ২০২৪ সালের সর্বোচ্চ নিরাপদ উড্ডয়ন ঘণ্টা অর্জনের জন্য ‘আন্তঃবহর খাদেমুল বাশার ফ্লাইট সেফটি ট্রফি’ প্রদান করা হয়।

এছাড়া এ বছর সেরা বিমান প্রকৌশল বহর হিসেবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক বিমান প্রকৌশল বহরকে ‘বেস্ট এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ারিং স্কোয়াড্রন ট্রফি’ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বিমান সদর ও বিমান বাহিনীর ঘাঁটিসমূহের মনোনীত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিমান সেনারা উপস্থিত ছিলেন।—প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এএইচ