আজ (বুধবার, ১১ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠন দুটি এ দাবি জানায়। পরবর্তীতে প্রজ্ঞার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংগঠন দুটির মতে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই অধ্যাদেশটি আইন হিসেবে পাস হওয়া জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তামাক ব্যবহারের কারণে বছরে প্রায় ২ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনে স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের ক্ষতি বছরে ৮৭ হাজার কোটি টাকা। তামাক খাত থেকে অর্জিত রাজস্বের চেয়ে এ ক্ষতি দ্বিগুণেরও বেশি।
আরও জানানো হয়, বর্তমানে ৩৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করছেন। এ পরিস্থিতিতে শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর করা না হলে জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব আরও বাড়তে থাকবে।
আরও পড়ুন:
বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনি ইশতেহারেও তামাক ব্যবহারজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইনি উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশটি আইন হিসেবে পাস করা হলে নতুন প্রজন্ম নিকোটিন পণ্য যেমন, ই-সিগারেট, ভ্যাপ ইত্যাদি ব্যবহার শুরু করতে পারবে না এবং তারা সব ধরনের তামাকপণ্য ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হবে। শিশু, নারীসহ অসংখ্য অধূমপায়ী পরোক্ষ ধূমপান থেকে সুরক্ষিত থাকবে।
এ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন দৈনিক জনকণ্ঠের চীফ রিপোর্টার কাওসার রহমান, ডেইলি টাইমস অফ বাংলাদেশের হেড অব অনলাইন (বাংলা) মো. মনির হোসেন লিটন, আত্মার কনভেনর মর্তুজা হায়দার লিটন ও প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়েরসহ বিভিন্ন তামাকবিরোধী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
এছাড়া আত্মার কো-কনভেনর নাদিরা কিরণের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজ্ঞার তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক প্রকল্প প্রধান হাসান শাহরিয়ার।





