আজ (বুধবার, ১১ মার্চ) দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়মিত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
তিনি আরও বলেছেন, আশঙ্কা না থাকলেও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য কমিশন সজাগ ও সচেতন রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ আরও উপস্থিত ছিলেন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানদের প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, বিজিবি, আনসার, র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
ইসি সচিব বলেন, ‘সবার কাছ থেকে আমরা যেসব তথ্য পেয়েছি তাতে এখন পর্যন্ত শঙ্কার কিছু নেই। একটা ভালো নির্বাচনের পরে সবাই এই দুটো আসনের নির্বাচন আরো ভালো হোক -এটাই প্রত্যাশা করে। কাজেই আমাদের সেদিক থেকে কোনো সমস্যা এখন পর্যন্ত নেই। তবে ভবিষ্যতেও যেন কিছু না হয় সে বিষয়ে আমরা সজাগ আছি এবং থাকবো।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জাতীয় নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী মোতায়েন করার যে প্ল্যান ছিল তার আওতায় আমরা সব কাজ এগিয়ে নিচ্ছি, শুধুমাত্র যেখানে ব্যতিক্রমটা এবার করা হবে সেটি হলো- বাড়তি রিসোর্সের সমন্বয়। বডি অন ক্যামেরা এবং সুরক্ষা অ্যাপের সম্মেলন আরেকটু বাড়ানো হবে। প্রত্যেকটা কেন্দ্রে একাধিক বডি অন ক্যামেরা থাকবে। তবে এটা নির্ভর করছে রিটার্নিং অফিসার বা ওখানকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের প্রয়োজন অনুযায়ী। যদি প্রয়োজন মনে করেন তারা তাহলে এটা বাড়বে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা কেন্দ্রভিত্তিক ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণের ব্যবস্থাটা রাখবো, যাতে ভবিষ্যতে যদি আমাদের কোনো দিক থেকে কোনো চিন্তা-ভাবনা করতে হয় বা পর্যালোচনা করতে হয়, সেটার জন্য যেন কমিশন ব্যবস্থা নিতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, আনসার বাহিনী এবারেও আট দিনের জন্যে মাঠে থাকবেন। আর বিজিবি এবং অন্যান্য সেনাবাহিনী সবাই তারা তাদের যে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নিজ নিজ দায়িত্বে থাকবেন। সেইসঙ্গে, মাঠে আমাদের ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে কাজ করছেন।
ইসি সচিব বলেন, এখনো পর্যন্ত আমরা কোনো রকমের কোনো খারাপ বা আপত্তিকর কোনো তথ্য পাইনি।এমনকি মনোনয়নপত্রের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত এই দুই আসনে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আমরা কোনো আপিল পাইনি। তার মানে বৈধতার বিষয়টা যেটা এখন প্রত্যাহারের পরে আমরা বলতে পারবো যে কোন কোন আসনে কয়জন প্রার্থী হলেন।
তিনি আরও জানান, এই দুই আসনের প্রবাসী ভোটারদের ব্যালট আগামী কাল থেকে পাঠানো শুরু হবে এবং দেশের অভ্যন্তরের পোস্টাল ব্যালট আগামী ২৩-২৪ তারিখ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের।
ভোট গণনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবার যেহেতু দুই আসনে কেন্দ্র ১৫০ ও ২৮ টি বা ১৭৮টি কাজেই আমার মনে হয় না যে ফলাফল প্রকাশে খুব বেশি একটা দেরি হবে। যেহেতু এবার এ দুই আসনে গণভোটের বিষয়টা নেই কিন্তু পোস্টাল ভোটের বিষয়টা আছে যত তাড়াতাড়ি আমরা পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা নিশ্চিত করতে পারব আমরা ফলও তাড়াতাড়ি দিয়ে দিতে পারব।





