জ্বালানি সংকটে পাম্পে দীর্ঘ লাইন— সরবরাহ ঘাটতি নাকি অদৃশ্য সিন্ডিকেট?

তেলের ডিপোতে লরির লাইন ও পাম্পে তেল গ্রহকদের লাইন
দেশে এখন
0

সরকারের পক্ষ থেকে বারবার সংযতভাবে জ্বালানি সংগ্রহের বার্তা দেয়া হলেও থেমে নেই ক্রেতারা। রাজধানীর পাম্পে দীর্ঘ লাইন আর ভোগান্তি হয়ে উঠেছে প্রতিদিনের চিত্র। ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, অতিরিক্ত চাহিদার চেয়ে সরবরাহ কম। ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন, এটি কি কেবল সরবরাহ সংকট? নাকি পেছনে তৈরি হয়েছে অদৃশ্য সিন্ডিকেট ?

রাজধানীজুড়ে জ্বালানি তেলের সঙ্কট যেন কমছেই না। হাতে গোনা কয়েকটি পাম্পে তেলের সরবরাহ থাকলেও রয়েছে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। কিছু কিছু জায়গায় অপেক্ষার সারি গিয়ে ঠেকেছে দুই থেকে আড়াই কিলোমিটারে। পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা শেষে হতাশ হয়েছে অনেকেই।

গ্রাহকদের একজন বলেন, ‘সকাল ৫টা থেকে সিরিয়াল দিয়ে দাড়িয়ে আছি। এখন শুনছি পাম্পে তেল নেই। তেল না পেলে আমাদের জন্য চলা দুর্বিষহ হয়ে যাবে।’

সরবরাহ না থাকার অজুহাতে রাজধানীর অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন এখনও বন্ধ। বেশ কিছু পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের দাবি, চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় তৈরি হয়েছে সংকট।

গ্রাহকরা জানান, সকাল থেতে দাড়িয়ে থেকেও তেল পাচ্ছেন না তারা। দেশের মধ্যে সিন্ডিকেট রয়েছে বলেও দাবি তাদের। তেল রিজার্ভ রাখার প্রবণতা থেকেও তেলের সংকট তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

আরও পড়ুন:

ফিলিং স্টেশনে কর্মরতদের একজন বলেন, ‘২৬ মার্চে ডিপো বন্ধ ছিলো। আমাদের তেল তার আগের দিনই শেষ হয়ে গেছে। আজ তেল পেয়েছি এখন থেকে তেল সরবারহ করছি।’

ঈদের দীর্ঘ ছুটি শেষে রোববার থেকে পুরোদমে কর্মচঞ্চল হয়ে উঠবে রাজধানী। এমন অবস্থায় ফিলিং স্টেশনে ভিড় বাড়ছেই।

এদিকে, তেল মজুতকারীদের তথ্য দিলে পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি সরবরাহ তদারকিতে সব জেলায় গঠন করা হয়েছে ভিজিলেন্স টিম।

এফএস