বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও ঐতিহাসিক। জাইকা আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, তাকে সফল করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। জাপান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে অফিস স্থাপন করলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা প্রদান করবে।’
মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ কর্মীদের দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘জাপানে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধু ভাষাই প্রধান অন্তরায় নয়, জাপানিজ সংস্কৃতি ও আচার-আচরণ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকাও জরুরি। জাপানি প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে সরাসরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে কর্মীরা খুব সহজেই সে দেশের কর্মপদ্ধতির সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে।’
আরও পড়ুন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন পরামর্শ দেন যে, জাপানিজদের সহায়তার ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জাপান দূতাবাসের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা প্রয়োজন। এর আগেই সরকারের পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তৈরি রাখার ওপর তিনি জোর দেন।
জাপান ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি কইকে ওয়াকাও বাংলাদেশের আন্তরিকতাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশে অফিস খোলার বিষয়ে সরকারের এ আগ্রহের বার্তা আমি অবশ্যই আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেবো।’
সাক্ষাৎকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, উপসচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





