তিনি বলেন, ‘অনেক দেশে দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রেও জ্বালানির দাম ৫০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা ও ভারতসহ সব জায়গায় জ্বালানি তেলের দাম প্রচুর বেড়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে জ্বালানির দাম এখনো বাড়েনি। এটা বর্তমান সরকারের সফলতা। আমরা চেষ্টা করছি, সকল পর্যায়ের জনগণ যাতে ভালো থাকতে পারে। যুদ্ধের সময় যেন তাদের কোনো সমস্যা না হয়।’
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘জনগণকে দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা করতে হবে। যদি আমাদের ভবিষ্যতে কথা চিন্তা করতে হয়, তাহলে আমাদের জ্বালানি তেলের দাম কিছু একটা এডজাস্টমেন্ট হতে পারে। সেটাও জনগণকে নিরাপদ জায়গায় রেখে হতে হবে। বিএনপির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যেে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এতে প্রভাবিত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত আমাদের দেশের প্রবাসীরা। যুদ্ধের কারণে আমাদের দেশের অর্থনীতি ও অন্যান্য দ্রব্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে যাতে থাকে সেজন্য বর্তমান সরকার দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পররাষ্ট্রনীতি শুরু করেছিলেন। তিনি সৌদি আরবে প্রথম লোক পাঠিয়ে তিনি শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেছিলেন। জিয়াউর রহমানের সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপি সরকার যখনই দায়িত্ব এসেছে তখনই কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সকল দেশের সাথে আমাদের একটি সুসম্পর্ক ছিল।’
তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সকল দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে যুদ্ধের সময়ও ইরানসহ সকল দেশ বাংলাদেশকে একটি বন্ধু রাষ্ট্র হিসাবে মর্যাদা দিচ্ছে। আমার প্রবাসী ভাইয়েরা ওইসব দেশে সুরক্ষিত আছে। বিভিন্ন পথে তেল ও গ্যাস যেগুলো আমাদের আসার দরকার সেগুলো আমরা পাচ্ছি। সেগুলো আমাদের কোনো ক্রাইসিস হচ্ছে না।’
নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এর আগেও আমি এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছি। তখনও দেখেছি এর অবস্থা করুণ। আজকে দেখে আমি অত্যন্ত ব্যতীত। মানদণ্ডের দিক দিয়ে এটি কোন পর্যায়ে পড়ে না। এখানে প্রয়োজনের যন্ত্রপাতি ও লোকবল নেই।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ফরিদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা, ফরিদপুর পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, ফরিদপুর সিভিল সার্জন মো. মাহমুদুল হাসান, নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ, যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাসুদ প্রমুখ।





