টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কার্ড পেয়ে উচ্ছ্বসিত প্রান্তিক কৃষক

টাঙ্গাইল
উচ্ছ্বসিত প্রান্তিক কৃষক
এখন জনপদে
দেশে এখন
0

টাঙ্গাইল সদরের ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ গ্রামের কৃষাণী নাসিমা খানম সুমনা। কয়েক যুগ যাবৎ কৃষি কার্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কখনো কোনো সুযোগ সুবিধা পাননি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড পেয়ে তিনি খুব খুশি।

নাসিমা খানম সুমনা বলেন, ‘বিএনপির সরকার আমাদের স্বার্থে কাজ করবে, এটা শুরুতেই ধারনা ছিলো। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড পাবো তা কখনও কল্পনাও করিনি। কৃষক কার্ড পেয়ে আমি খুব খুশি। প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।’

শুধু কৃষাণী নাসিমা খানম সুমনা নয়, তার মতো ঘারিন্দা ইউনিয়নের এক হাজার ৪৫৩ জন কার্ড পেয়ে খুব খুশি। সরকারের প্রিপাইলটিং প্রজেক্টের আওতায় কৃষক কার্ড দেয়া হচ্ছে।

নাসিমা খানমের হাতে কৃষক কার্ড দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী |ছবি: এখন টিভি

কৃষক কার্ডের আওতায় প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকরা অন্তত ১০ ধরনের সুযোগ সুবিধা পাবেন। এগুলো হচ্ছে, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইল ফোনে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ, কৃষি বিমা সুবিধা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুবিধা পাবেন কৃষকরা।

অপর কৃষক মোহাম্মদ আবু কায়সার বলেন, ‘আগে দেখতাম জিয়াউর রহমান খাল কেটে মানুষের জয় করেছিলেন, বর্তমানে তারেক রহমান কৃষক কার্ড দিয়ে আমাদের মন জয় করেছেন। আমরা সরকারের কাছে খুব কৃতজ্ঞ। এই কার্ড দিয়ে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনাসহ নানা সুযোগ সুবিধা পাবো।’

আরও পড়ুন:

কৃষাণী আমেনা বেগম বলেন, ‘এই কার্ড পেয়ে আমরা খুব খুশি। আমাদের কৃষি কাজ করতে এখন আর বেগ পোহাতে হবে। কৃষক কার্ডটি পেয়ে আমাদের খুব উপকার হলো।’

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘কৃষক কার্ড বিতরণ তিন ধাপে বাস্তবায়িত হবে। এগুলো হলো, প্রাক পাইলটিং, পাইলটিং এবং দেশব্যাপী কার্যক্রম। প্রাক পাইলটিং পর্যায়ে ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যচাষি বা আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খাতে নিয়োজিত খামারি ও দগ্ধ খামারিসহ ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শ্রেণির কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লবণচাষিও এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।’

এসএস