আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছিলেন ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করবেন। আমরা প্রায় ১১ লাখ কৃষকের এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করেছি প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়ে। আমরা ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট চালু করে প্রথম দিনেই ৩৮ হাজার ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করেছি।’
তিনি বলেন, ‘সবাই স্বপ্নের পাহাড় নিয়ে এসেছেন। সেই স্বপ্ন, চিন্তা ও শ্রম প্রথমে শৈলকূপা ও পরে এ অঞ্চলের জন্য। কারণ সবার আগে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়ার জন্য করতে পারলে বাংলাদেশকেও কিছু দেয়া যাবে। এক্ষেত্রে এ অঞ্চলের সুবিধার্থে রেললাইন বাস্তবায়ন কাজ শুরু হবে।’
আরও পড়ুন:
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু তৈরিতে কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, শিল্পায়নে প্রভাব পড়বে কি না তা ভাবছি। এছাড়া এ অঞ্চলের কৃষি বিপ্লব ঘটাতে বিদ্যুতের চাহিদা, দাম, তেল আমদানির বিকল্পে প্রত্যেক জেলায় পতিত জমির সদ্ব্যবহার করে সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক প্রজেক্ট চালু করবো। আগামী ছয় মাসের মধ্যে তা ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে দৃশ্যমান দেখতে পাবো।’
তিনি বলেন, ‘আমরা দোষারোপের রাজনীতি থেকে বের হতে চাই। রাজনৈতিক বিরোধ এটা আদর্শিকভাবে থাকবেই। এজন্য হানাহানি, রক্তপাত এটা থাকবেই। কিন্তু আমাদের চিন্তার ঐক্য, আমাদের ভাবনা, সবার ভাবনা কিন্তু এ অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন নিয়ে। এখানেই আমাদের চিন্তার ঐক্য আছে। এ উন্নয়নের ঐক্যকে ধারণ করেই আমরা একে অন্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যাবো।’
বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরামের সভাপতি এবং সিনিয়র সচিব (পিআরএল) ড. খ ম কবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সংসদ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেয়।





