সভায় নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ঢাকার বাইরে গরুর কাঁচা চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৫৭ থেকে ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সারা দেশে খাসির চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, কোরবানির চামড়া যেন অযত্নে নষ্ট না হয়, সেজন্য সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, ‘চামড়া সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে এবার সরকারি অর্থায়নে সারা দেশে বিনামূল্যে লবণ পৌঁছে দেয়া হবে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার লবণ কেনা হয়েছে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) মাধ্যমে এই লবণ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হবে।’
আরও পড়ুন:
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, চামড়া শিল্পের বিশাল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এবং জাতীয় সম্পদ রক্ষা করতে সঠিক সময়ে লবণ প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। লবণের সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে চামড়া পাচার রোধ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্ট খাত সংশ্লিষ্টরা সরকারের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তারা বলছেন, সঠিক সময়ে লবণের সরবরাহ এবং নির্ধারিত মূল্যে চামড়া কেনাবেচা নিশ্চিত করা গেলে জাতীয় অর্থনীতিতে এর সুফল পাওয়া যাবে। প্রতি বছরের মতো এবারও কোরবানিকে ঘিরে চামড়া সংগ্রহের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সুশৃঙ্খল রাখতে আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন।
পশুর চামড়ার নির্ধারিত মূল্য তালিকা ২০২৬ (Qurbani Hide Price List 2026)





