অবরোধে অংশ নেয়া চালকরা ‘ভাত দে, কাপড় দে, নইলে অটো চলতে দে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের অভিযোগ, অটোরিকশা চার্জ দেয়ার স্থানগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের হয়রানি ও অটোরিকশা ডাম্পিংয়ের বিরুদ্ধেও তারা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।
চালকরা বলছেন, অটোরিকশা চার্জ দেয়ার স্থানগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রতিবাদসহ কয়েকটি দাবিতে তারা সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা সড়ক ছাড়বেন না।
তারা অভিযোগ করেন, ট্রাফিক পুলিশ অটোচালকদের হয়রানি করে এবং অটোরিকশা আটক করে ডাম্পিংয়ে পাঠায়। একটি অটোরিকশা আটক করলে পাঁচ হাজার টাকা করে মামলা দেয়া হয় বলেও অভিযোগ। এসব হয়রানি বন্ধের দাবি জানান তারা।
আরও পড়ুন
চালকরা বলেন, যেসব সড়কে অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ রয়েছে, সেখানে তাদের চলাচল করতে দিতে হবে। পাশাপাশি অটোচালকদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে। দেশে লাখ লাখ মানুষ অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। অবৈধভাবে অটোরিকশা চললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার পক্ষেও মত দেন তারা।
অবরোধের আগে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অটোরিকশা চলাচল কমে যায়। রামপুরা, বাড্ডা, মালিবাগ, খিলগাঁও, মতিঝিল, মিরপুর ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় অটোরিকশার সংখ্যা কম দেখা গেছে।
পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চালকরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করলে দুই পাশের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে আশপাশের সড়কগুলোতেও যানজট ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশের ফোর্স সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। অটোচালকদের সমাবেশ থেকে যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।’





