সচারচর ঈদের সময় দেখা যায় যাত্রীদের চাপের দৃশ্য। তবে এবার উপলক্ষ আলাদা। ভোট উৎসবে শামিল হতেই রাজধানী ছাড়ছেন লাখো মানুষ।
আসন আর করিডোর ছাড়িয়ে অনেক যাত্রীকেই জায়গা নিতে হয়েছে ট্রেনের ছাদে। এ যাত্রায় রয়েছেন তরুণ থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ- সব বয়সী ভোটার। কেউ বলছেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর ভোট দেয়ার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না তারা। আবার কেউ ভোট ঘিরে টানা ছুটি কাজে লাগাতেই ফিরছেন বাড়ি।
যাত্রীদের একজন বলেন, ‘আমি ঠাকুরগাঁও যাচ্ছি। ভোট দেয়ার জন্যই বাড়ি যাচ্ছি। অনেকদিন বাড়ি যাওয়া হচ্ছিলো না। তাই এখন ভোটের উপলক্ষে বাড়িতে যাচ্ছি।’
অন্য আরেকজন যাত্রী বলেন, ‘আমরা যেন ভালোভাবে বাড়িতে পৌঁছাতে পারি। প্রশাসনকে দায়িত্ব নিয়ে সেভাবে কাজ করতে হবে।’
আরও পড়ুন:
সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনালের এ যাত্রীচাপও ভোটকে কেন্দ্র করেই। পরিবার পরিজন নিয়ে ভোটের উৎসবে সামিল হতে সয়ে নিচ্ছেন ভিড় ঠেলে লঞ্চে ওঠার এ ঝক্কি। বরিশাল, ভোলা, চাঁদপুরসহ বিভিন্ন জেলার পথে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া যাত্রীদের সবার কণ্ঠেই ছিলো সুষ্ঠু ভোটের প্রত্যাশার।
লঞ্চ টার্মিনালের একজন যাত্রী বলেন, ‘২০১৪, ২০১৮, ২০২৪ সালে বিগত স্বৈরাচারের আমলে আমাদের ভোট দেয়ার সুযোগ হয়নি। ভোট হবে এ জন্য আমরা উৎসবমুখর পরিবেশে বাড়িতে যাচ্ছি।’
এদিকে, সড়কপথেও ঘরমুখো মানুষের চাপ। তবে, গাবতলী, সায়দাবাদ, মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে অনেক যাত্রীর অভিযোগ ছিলো নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ ভাড়া নেয়া হচ্ছে। তবে, ভোট দিতে যাওয়ার আগ্রহে সেই ভোগান্তি মেনে নিচ্ছেন অনেকেই। সড়কপথে বাড়ি ফেরা যাত্রীরা জানান, খুব ভোগান্তি হচ্ছে বাড়ি ফিরতে বাস পাচ্ছেন না, টিকিটও পাচ্ছেন না।
ভোটাধিকার প্রয়োগের এ যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে, এমন প্রত্যাশাই যাত্রীদের।




