ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়া চেয়েছিলেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ধর্মীয় রীতিনীতি, আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ধর্ম পরিচালনার জন্য এবং সেই জন্যই যখন বিভিন্ন তকমা দেয়া হতো তখন খালেদা জিয়া বলতেন, বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি নেই। জঙ্গির নাম দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নাটকগুলো করতো। বজ্র কণ্ঠে তার প্রতিবাদ করতেন এ হচ্ছে আমাদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া। তার প্রতিবাদের ভাষা শুধু উলামায়ে কেরামদের জন্য নয় সারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য।’
জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও ওলামা দল দুর্গাপুর শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও (বিএনপি) একটি পরীক্ষিত বন্ধু দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার তথা বিএনপি সময় দুঃসময়ে এবং অন্ধকার রাত থেকে শুরু করে সর্বদা একে অপরের পাশে থেকেছে এবং থাকবে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার জীবদ্দশায় তিনি সব সময় উলামায়ে কেরামদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।’
আরও পড়ুন:
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘আজকে একটি রাজনৈতিক সংগঠন ইসলামের দোহাই দিয়ে বেহেশতের টিকেট বিক্রি করতেছে, পত্র-পত্রিকায় আমরা দেখছি। যে তাদের প্রতীকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে, না হলে যাবে না। আমি বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি, দয়া করে পবিত্র ইসলামকে রাজনীতির হাতিয়ার করবেন না। বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ মানুষ ধর্মপ্রাণ মুসলমান। তাদের ধর্মকে রাজনীতিকরণ করবেন না।’
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও উলামাদল দুর্গাপুর শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে এই সময় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সবশেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।





