রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই খালেদা জিয়া জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন বগুড়া-৭ আসন থেকে। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সব নির্বাচনেই রেকর্ড পরিমাণ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তার মনোনয়ন জমা দেয়া হয় এ আসন থেকেই।
খালেদা জিয়ার পাশাপাশি এ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন গাবতলী উপজেলার বিএনপি সভাপতি মোর্শেদ মিল্টন। এখন বেগম জিয়া প্রয়াত হওয়ায় বগুড়া-৭ আসনে তিনিই হতে যাচ্ছেন বিএনপির কাণ্ডারী।
মোর্শেদ মিল্টন বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে বগুড়া-৭ এর মানুষকে, জনগণকে, নেতাকর্মীকে ভালেঅবাসতো। আমি যেন ইনশা আল্লাহ সেভাবেই ভালোবাসতে পারি। বিগত দিনের যেসব অসমাপ্ত কাজগুলো আছে, ইনশা আল্লাহ আমি সমাপ্ত করার চেষ্টা করবো।’
আরও পড়ুন:
এদিকে বগুড়া-৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী গোলাম রব্বানীর মতে, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বদলাতে শুরু করেছে ভোটের সমীকরণ। তাই এ আসনের ইতিহাস বদলে দিতে ভোটের দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন তিনি।
গোলাম রব্বানী বলেন, ‘বেগম জিয়া চলে যাওয়ার পর কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। আমি নির্বাচনের মাঠে কাউকে অযোগ্য মনে করি না। সবাইকে যোগ্য মনে করি। জনগণ যাকে ভোট দেবে সেই হবে নির্বাচিত প্রতিনিধি।’
গাবতলী-শাজাহানপুর মিলে গঠিত বগুড়া-৭ আসনের প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ ভোটারের চাওয়া তাদের সামগ্রিক উন্নয়ন। দীর্ঘদিন উন্নয়ন বঞ্চিত এ মানুষগুলো প্রার্থীদের ইশতেহার দেখেই সিদ্ধান্ত নেবেন ভোট দেয়ার বিষয়ে।
স্থানীয়দের মধ্যে একজন বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর আমাদের বাড়ি বগুড়া গাবতলী হওয়ায় আমাদের কোনো চাকরি হয়নি। যে সরকারই আসুক না কেন বগুড়ার উন্নয়ন যেন হয়। এই ১৭ বছর যে বৈষম্যের শিকার, সেটা যেন আমরা পূরণ করতে পারি।’
এ আসনের মোট পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর মনোনয়নের বৈধতা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।




