শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে তারেক রহমানকে আমরা ব্ল্যাঙ্ক চেক দিতে পারি না: সারজিস আলম

সারজিস আলম
এখন জনপদে
রাজনীতি
0

ক্ষমতায় বসে সমালোচনাকারীদের মুখ বন্ধ করতে চায় বিএনপি, যা নতুন বাংলাদেশে কখনোই সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির শীর্ষ নেতারা। বরং এনসিপি নতুন কোনো স্বৈরাচার গড়ে উঠার আগেই তা প্রতিহত করবে। সিলেটে এনসিপির জুলাই পদযাত্রায় এমন হুঁশিয়ারি দেন তারা। জাতীয় নাগরিক পার্টির সিলেট পর্বের শেষ দিনের পদযাত্রায় সিলেটের গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে অংশ নেন এনসিপির নেতারা। এসময় বলেন এনসিপি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্ল্যাঙ্ক চেক না দিয়ে তার যৌক্তিক সমালোচনা করেই যাবে।

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সময় ছিলো। সবার সমালোচনা করেন সমস্যা নাই, শেখ হাসিনার করা যাবে না। এইভাবে শেখ হাসিনাকে ব্ল্যাঙ্ক চেক দিয়ে, শেখ হাসিনা স্বৈরাচার হয়েছে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষকে গণহত্যার শিকার করেছে। বিএনপিকে কিংবা জনাব তারেক রহমানকে একজন শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে আমরা এই ব্ল্যাঙ্ক চেক কখনোই দিতে পারি না।’

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘এত চুপচাপ করে থাকলে হবে না। একটু শক্তিশালী করে বিএনপিকে নাড়া দিতে হবে। আপনি বিরোধী দলীয় নেতা মানে জনগণের আপনি ভয়েস। যদি জনগণের ভয়েস না হইতে পারেন, তাহলে রাজপথে বিরোধী দল বের হবে।’

এর আগে কোম্পানীগঞ্জে আরেকটি পথসভায় বক্তব্য রাখেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। এসময় তিনি বলেন বিএনপি এখন সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করছে। যখনই দলীয় সমালোচনা করে এনসিপি তখন সেটা বিএনপি মেনে নিতে পারে না। একই আয়োজনে দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির পোস্টমর্টেম হয়েছে । এখন যদি কেউ আওয়ামী লীগের মতো স্বৈরাচার হতে চায়, তাদেরকে স্বৈরাচার হতে দেবে না এনসিপি।

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, ‘আপনি যদি মনে করেন যে আপনি আমার ওপর হামলা করবেন, রক্তাক্ত করবেন, চোখ উঠিয়ে নিবেন, তারপরে আপনি মিথ্যা মামলা দিবেন, হাসপাতালে চিকিৎসা দিবেন না; আপনি ছাত্রদল কেন, আপনি আরেকটা ফেরাউন হলেও আপনার বিরুদ্ধে আমরা কথা বলবো ইনশাআল্লাহ।’

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘স্থানীয় যে এলাকায় আপনার এই মানুষগুলা কষ্ট করে ভোট দিয়েছে, কষ্ট করে আপনাকে নেতা বানিয়েছে, অনেকে নিপীড়িত ছিলেন; এখন মন্ত্রিপাড়ায় থাকেন। এ মানুষগুলোর দিকে তাকানো প্রয়োজন। যদি মানুষগুলোর দিকে আপনি না তাকান পাঁচ বছরে, আগামী ইলেকশনে বা স্থানীয় নির্বাচনে এ মানুষগুলা আপনার দিকে তাকাবে না।’

ইএ