আজ (বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট) রাজধানীর সচিবালয়ের সামনে মুক্তাঙ্গনে ১১-দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘আমরা আজ এখানে বক্তৃতা দিতে আসিনি। জনগণের ১১ দফা দাবি মানুষের হাতে তুলে দিতে এসেছি। এই ১১ দফা কোনো দল, গোষ্ঠী বা কোনো ব্যক্তির স্বার্থের জন্য নয়; এটি ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষার দাবি।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জনভোগান্তি বাড়ছে। এসব সমস্যার সমাধানে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’
লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করে তিনি বলেন, ‘আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের দাবি আদায়ের এ কর্মসূচিতে কোনো বাধা দেয়া হলে তা দ্বিগুণ শক্তিতে গন্তব্যে পৌঁছাবে।’
তিনি জানান, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া, ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট অভিমুখে রেলপথে যাত্রা এবং ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
সরকারের উদ্দেশে জামায়াতের শীর্ষ নেতা বলেন, ‘সচিবালয় জনগণের সম্পদ। সেখানে যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের জনগণের দাবি শুনতে হবে এবং বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।’
আরও পড়ুন:
এসময় তিনি গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান।
এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার না করা হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচি দিতে তারা বাধ্য হবেন বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।





