জ্বালানি ও আর্থিক সাশ্রয়ে নেপালজুড়ে চাহিদা বাড়ছে টু-হুইলার বাহনের

নেপালে চাহিদা বাড়ছে টু-হুইলার বাহনের
বিদেশে এখন , এশিয়া
বিশেষ প্রতিবেদন
0

নেপালে পর্যটকের চোখ আটকে যাবে সড়ক দাপিয়ে বেড়ানো দুই চাকার বাহনে। জ্বালানি ও আর্থিক সাশ্রয়ে নেপালিদের কাছে জনপ্রিয় টু-হুইলার বাহনগুলো। সড়কে সময় বাঁচাতে শিক্ষার্থী থেকে চাকরিজীবী প্রায় সবার পছন্দ এসব বাহন। ভারত ও নেপালের সীমান্ত পথ উন্মুক্ত থাকার কারণেও টু-হুইলার চাহিদা বেশি দেশটিতে।

হিমালয় পর্বতমালা বেষ্টিত নেপালের জ্বালানি সাশ্রয়ে অধিকাংশ নাগরিকের ভরসা টু-হুইলার বাহন। উঁচু-নিচু, আঁকা-বাঁকা সড়ক পথের সময় বাঁচাতে সমানতালে মোটরসাইকেল, স্কুটার ও বাই-সাইকেলের মতো বাহনগুলো ব্যবহার করেন নারী-পুরুষ উভয়ে। যানজট এড়াতে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ দৈনন্দিন কাজে প্রায় সবার পছন্দের তালিকায় রয়েছে এসব বাহন।

নেপালের একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘সস্তা পাওয়া যায়, যানজটেও পড়তে হয় না। সড়কে চালানোর জন্য সহজ ও নির্ভরযোগ্য যানবাহন হওয়ায় সবাই এটি ব্যবহার করে।’

আরও পড়ুন

নেপালিরা বলছেন, ফোর-হুইলার ব্যয়বহুল। বিপরীতে দুই চাকার বাহনের খরচ কম। ভারত ও নেপালের সীমান্ত পথ উন্মুক্ত থাকার কারণেও এসব বাহনের চাহিদা বেশি দেশটিতে। ভারতীয় ও জাপানিজ বাইকের আধিপত্য রয়েছে নেপালের বাজারে।

স্থানীয় একজন বলেন, ‘ভারত ও নেপালের বর্ডার উন্মুক্ত, এটি একটি কারণ। প্রধানত অর্থনৈতিক কারণে পছন্দ করে সবাই। ফোর-হুইলার ব্যয়বহুল। যানজটের রাস্তায় দ্রুত যাতায়াত জন্য টু-হুইলার পছন্দ করে সবাই।’

যাতায়াত, ডেলিভারি ও রোমাঞ্চকর ভ্রমণের নিত্যসঙ্গী হয়ে দেশটিতে জনপ্রিয়তা পেয়েছে টু হুইলারের পাঁচটি ব্র্যান্ড। আড়াই লাখ থেকে ৮ লাখ রুপি পর্যন্ত এসব ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল পাওয়া যায় নেপালে। ছোট-বড় বাজারে ভাড়াও পাওয়া যায় পছন্দসই দুই চাকার বাহন।

একজন টু হুইলার ব্যবসায়ী বলেন, ‘দিন হিসেবে ভাড়া দেয়া হয়। স্কুটার-বাইক আলাদা, কয়েক ধরনের বাইক ভাড়ায় পাওয়া যায়।’

ঢাকায় অলিগলিতে যেমন রিকশা দাপিয়ে বেড়ায় তেমনি নেপালের রাস্তায় মোটরসাইকেল।

জেআর