যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর শত্রুপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায় ইরান। ভেন্যু স্থানান্তর করে মেক্সিকোতে খেলার আগ্রহ জানিয়ে ফিফার কাছে আবেদনও করে এশিয়ার দেশটি। তবে সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। জানিয়ে দিয়েছে, বিশ্বকাপ খেলতে হলে যুক্তরাষ্ট্রেই খেলতে হবে তাদেরকে।
এর আগে অবশ্য নিজেদের দেশে ইরানের ম্যাচ আয়োজনের পক্ষে থাকলেও এবার মেক্সিকোও বেঁকে বসেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেনবাউম জানিয়েছেন, লজিস্টিক সক্ষমতা না থাকায় ইরানের খেলা আয়োজন করতে সক্ষম নন তারা।
আরও পড়ুন:
এখন প্রশ্ন— ইরানের বিশ্বকাপ খেলা কি হচ্ছে না? যদিও ইরানের ফুটবল ফেডারেশন থেকে এখনও কোনো বার্তা আসেনি। তবে এরই মধ্যে ফিফা দলটির বিকল্প ব্যবস্থা কী হবে, তার ছক কষে রেখেছে; যদি না শেষ পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে ফিফাকে যুক্তরাষ্ট্রেই বিশ্বকাপ খেলার সবুজ সংকেত না দেয়।
ইরান যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ বয়কট করে, তবে খুলে যেতে পারে চারবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ইতালির কপাল। টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয় আজ্জুরিরা। তবে ইরানের পরিবর্তে র্যাংকিংয়ের বিবেচনায় বিশ্বকাপে টিকিট কাটার প্রবল সম্ভাবনা আছে ইতালির।
এক্ষেত্রে আরও এক বিকল্প পদ্ধতি ভেবে রেখেছে ফিফা। এশিয়ার দুই দল ও ইউরোপের দুই দল নিয়ে প্লে-অফ আয়োজন করা হবে, যারা বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হয়েছে। এক্ষেত্রেও ইউরোপ থেকে এগিয়ে থাকবে ইতালি।
এখন কেবল দেখার অপেক্ষা, যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে পুনরায় কী বিবেচনা করে ইরানের ফুটবল ফেডারেশন।





