একঝাঁক স্বপ্নাতুর। যাদের পায়ে ভর করে সুদূর আজারবাইজানের বাকু থেকে এসেছে ফুটবলের এক দারুণ সাফল্য। ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল বিশ্বকাপে ই-টায়ারে রানার্সআপ হওয়া এই কিশোরদের বরণ করে নিতেই বাফুফে ভবনে জাকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা আয়োজন।
বিশ্বমঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল করা এই কিশোরদের উৎসাহ দিতে ভোলেননি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। উৎসবের এই আবহে দলের প্রতিটি খেলোয়াড় এবং অফিশিয়ালদের অনুপ্রাণিত করতে ১ লাখ টাকা চেক তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী।
তবে এই অর্জনে সীমাবদ্ধ থাকতে চান না লালসবুজের প্রতিনিধিরা। কিশোর ফুটবলারদের চোখ এখন আরও উঁচুতে। তাদের একমাত্র লক্ষ্য কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফুটবলকে ভবিষ্যতে আরও বড় কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা উপহার দেয়া।
খেলোয়াড়রা জানান, তাদের যারা ফুটবল খেলা শিখিয়েছে তাদের ধন্যবাদ জানান তারা। এটা যদি ধরে রাখে তারা, তাহলে এটা বাফুফের জন্য ভালো। বাংলাদেশকে আরও ভালো জায়গায় নিতে পারবে বলে প্রত্যাশা তাদের।
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ভালো করতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী অনুশীলন এবং নিয়মিত খেলার মধ্যে থাকা। কিশোরদের বড় স্বপ্ন পূরণে সাধ্যমত পাশে থাকার আশ্বাস ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও বাফুফে সভাপতির।
আরও পড়ুন:
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘আমাদের এই নতুন তরুণ যাদেরকে আজকে আমরা এখানে সংবর্ধনা দিচ্ছি, তাদেরকে উৎসাহিত করছি, আমরা কিন্তু তাদের রেজাল্টের দিকে যাচ্ছি না। এই টিমের সদস্য যারা রয়েছে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে পুরস্কার আজকে আমরা প্রদান করব যাতে দেশ খেলোয়াড়দের পাশে রয়েছে, দেশের মানুষ খেলোয়াড়দের পাশে রয়েছে—এই মেসেজটি আমরা প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে, প্রত্যেকটি পরিবারে আমরা পৌঁছাতে চাই।’
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘ফুল টাইম ট্রেনিংয়ের জন্য আমরা বিভিন্ন অ্যাকাডেমি যাদেরকে আমরা টিয়ার টু হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছি, তাদের সাথেও কাজ করব যেন এরকম ইয়াং প্লেয়াররা সে অ্যাকাডেমিতে যায়, প্রশিক্ষণ নিতে পারে পুরো বছর। বাংলাদেশ ফেডারেশন, বিকেএসপি এবং কিছু প্রাইভেট স্কুল অ্যাকাডেমিসের মাধ্যমেই কিন্তু আমরা এই ইয়ার লং প্রশিক্ষণটা চলমান রাখতে পারি।’
সঠিক পরিচর্যা আর দীর্ঘমেয়াদী অনুশীলনের সুযোগ পেলে এই অনূর্ধ্ব-১৫ দলই একদিন বদলে দেবে দেশের ফুটবলের মানচিত্র এমনটাই প্রত্যাশা সবার।





