আর্জেন্টিনা এই অর্ধের খেলায় সুবিধা করতে না পারলেও গোলবারের সামনে দক্ষতা দেখিয়ে আলাদা করে নজর কেড়েছে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তিনি মোট ২টি শট আটকেছেন, যার মধ্যে ডি-বক্সের ভেতর থেকে একটি। শুরুর দিকেই লামিনে ইয়ামালের ডি-বক্সের ভেতর থেকে নেয়া শট আটকে দিয়ে দলকে পিছিয়ে পড়ার হাত থেকে বাঁচান তিনি।
পজেশন ফুটবল খেলে স্পেন ও আর্জেন্টিনা দুই দলই। তবে প্রথমার্ধে স্পেনের ৬৫ শতাংশ বল দখলের বিপরীতে আর্জেন্টিনা বল দখলে রাখতে পেরেছে মাত্র ৩৫ শতাংশ সময়। এদিক থেকে নিশ্চিতভাবেই অনেকটা দাপট দেখিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।
আরও পড়ুন:
এই অর্ধের খেলায় গোলমুখে ৩টি শট নিয়েছে স্পেন, যার মধ্যে ২টি ছিলো অন-টার্গেটে (গোলপোস্টে)। এর বিপরীতে আর্জেন্টিনা গোলমুখে একটিও শট নিতে পারেনি।
এছাড়া ম্যাচের অন্যান্য পরিসংখ্যান ঘাটলেও দেখা যায়, প্রায় সবক্ষেত্রেই এ পর্যন্ত পিছিয়ে আছে আলবিসেলেস্তেরা। ম্যাচে স্পেন বল পাস করেছে মোট ৩৪৮ বার, আর্জেন্টিনা ১৯৬ বার; কর্নার পেয়েছে স্পেন ২টি, আর্জেন্টিনা কোনো কর্নার পায়নি। ফ্রি-কিক পেয়েছে স্পেন ৯টি, অন্যদিকে আর্জেন্টিনা পেয়েছে ৭টি।
ম্যাচে প্রথমার্ধে ফাউল করেছে আর্জেন্টিনাই বেশি। লিওনেল স্ক্যালোনির শিষ্যদের বিপক্ষে রেফারি বাঁশি বাজিয়েছেন মোট ৯ বার, অন্যদিকে স্পেন ফাউল করেছে ৭ বার। শুধু তাই নয়, ম্যাচে প্রথমার্ধে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে হলুদ কার্ড দেখেছেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।





