
নেত্রকোণায় ‘মগড়া নদী’ খনন ও উচ্ছেদ প্রকল্প; প্রশাসন-দখলদারদের বিপরীতমুখী অবস্থান
বারবার পিছিয়ে যাওয়া নেত্রকোণার প্রাণ ‘মগড়া নদী’ পুনরুজ্জীবিতকরণ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। প্রকল্পের আওতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও খনন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় উঠে আসে প্রশাসন ও নদী দখলদারদের বিপরীতমুখী অবস্থানের চিত্র।

নড়াইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির বড় অংশ অবৈধ দখলে; প্রশাসনের নীরবতাকে দুষছেন স্থানীয়রা
নদীভাঙন রোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণ করা জমির বড় একটি অংশ এখন দখলদারদের কবলে। প্রায় ৩ হাজার একর জমির অন্তত অর্ধেক ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ড হয়ে গেছে। অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে হাট-বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা। প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় এমনটা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। অচিরেই পদক্ষেপ না নিলে অবশিষ্ট জমিও দখল হয়ে যাওয়ার শঙ্কা এলাকাবাসীর।

দুই বছরেও চালু হয়নি খালিয়াজুরী ফায়ার স্টেশন, নষ্ট হচ্ছে স্থাপনা
নেত্রকোণার হাওরাঞ্চল খালিয়াজুরীতে সাড়ে তিন কোটি টাকা খরচে নির্মিত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন দুই বছরেও চালু হয়নি। অবকাঠামো প্রস্তুত থাকলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় ভবন বুঝে নিচ্ছে না ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ। নষ্ট হচ্ছে স্থাপনা, অব্যবহৃত পড়ে আছে যন্ত্রপাতি।

সুনামগঞ্জে হাওরের ফসল রক্ষায় ১০৩ কোটি টাকার বাঁধ নির্মাণ শুরু
সুনামগঞ্জে ১৩৭ হাওরের ফসল রক্ষায় ১০৩ কোটি টাকা ব্যয়ে হাওরে বাঁধ তৈরির কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ (সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর) সকালে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কালনার হাওরে কাজের উদ্বোধন করেন প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।

রেগুলেটরের প্রভাবে বদলাচ্ছে নাটোরে নদীর রেখাচিত্র
পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেগুলেটরের প্রভাবে উত্তরের জেলা নাটোরে তিলে তিলে মানচিত্র থেকে উঠে যাচ্ছে নদীর রেখাচিত্র। পানি নিয়ন্ত্রণের নামে মরা খালেও বসানো হচ্ছে হাইড্রোলিক রাবার ড্যাম। সব মিলিয়ে যেন নদী মারার আয়োজন জোরেশোরে।

সিলেটে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়ছে
সিলেটে ক্রমশ বাড়ছে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি। গত একদিনে সিলেটের সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার ও জকিগঞ্জের কুশিয়ারার অমলশীদ পয়েন্টে বিপদসীমার ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

দুই সপ্তাহের অব্যাহত ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন নড়াইলের এক গ্রাম
মধুমতি নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম। গেল দুই সপ্তাহের অব্যাহত ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে একটি গ্রামের দেড় শতাধিক বসতভিটা, গাছপালাসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এতে আতঙ্ক বিরাজ করছে উপজেলার অন্তত পনেরোটি গ্রামে।

ভোলায় মেঘনার ভাঙন রোধে পাউবো কার্যালয় ঘেরাও ও সড়ক অবরোধ
মেঘনার ভয়াবহ ভাঙনে ভোলা শহর রক্ষা বাঁধের শিবপুর ও মেদুয়া ইউনিয়নসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা হুমকির মুখে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভাঙন থেকে বাড়িঘর ও ফসলি জমি রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগের দাবিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কার্যালয় ঘেরাও ও ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করেছেন কয়েক হাজার এলাকাবাসী।

জলবায়ুর প্রভাবে নদীর তীব্র স্রোত, ঝুঁকিতে পটুয়াখালীর বাঁধ
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পটুয়াখালীর নদ-নদীতে স্রোত ও পানির উচ্চতা বাড়ছে আশঙ্কাজনকভাবে। এতে ভাঙন তীব্র হচ্ছে স্লুইজগেটসহ বেড়িবাঁধের, যা নিয়ে আতঙ্কিত স্থানীয়রা। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ভাঙন ঠেকাতে নানা তৎপরতার কথা বললেও, সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পূর্ব পরিকল্পনা করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

চাঁদপুরে জলাবদ্ধতায় অনাবাদি ১৯ হাজার হেক্টর জমি, বছরে ক্ষতি ২৮৫ কোটি টাকা
জলাবদ্ধতার কারণে চাঁদপুরে অনাবাদি রয়েছে প্রায় ১৯ হাজার হেক্টর জমি। যত্রতত্র খাল ভরাট, অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ আর পানি নিষ্কাশনের অভাবে বছরের ছয়মাস জলাবদ্ধ থাকে এসব জমি। জলাবদ্ধতার কারণে তিন ফসলি জমি পরিণত হয়েছে এক ফসলিতে। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন কৃষক। জলাবদ্ধতার কারণে বছরে প্রায় ২৮৫ কোটি টাকার ফসল কম উৎপাদন হচ্ছে বলছে কৃষি বিভাগ। আর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি প্রবাহ; পানিবন্দি ১০ হাজার পরিবার
লাগাতার বৃষ্টি এবং উজানের দেশ ভারতের ঢলের পানির তোপে পানি বেড়েছে তিস্তা নদীতে। তিস্তা নদীর লালমনিরহাট অংশে আজ (বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট) সকাল ৬টা পর্যন্ত পানির প্রবাহ বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। আর সকাল ৯টা পর্যন্ত তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টেও পানির প্রবাহ বিপৎসীমার উপরে রয়েছে।

রাজশাহীতে পদ্মার পানি বিপৎসীমার নিচে, শহর ও চরাঞ্চলে সতর্কতা জারি
রাজশাহীতে বিপৎসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পদ্মার পানি। ফলে শহরের টি-বাঁধে সাধারণ মানুষের চলাচল বন্ধ করা হয়েছে এবং দোকানপাট সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। পদ্মার পানি বৃদ্ধির কারণে চরাঞ্চলের ঘর-বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। অনেক পরিবার ঘর-বাড়ি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে, তাই তারা গরু-ছাগল নিয়ে শহররক্ষা বাঁধে অবস্থান নিচ্ছেন।